বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের ৭দফা দাবীতে অবস্থান কর্মসূচী

 
স্টাপ রিপোর্ট
:গত কাল ২৭ মার্চ ২০২২ ইং রবিবার দুপুর ১২:৩০ টায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাংচুর,হিন্দু বাড়ীঘরে হামলা,নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ঘটনার সাথে জরিতদের গ্রেফতার,দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচারের দাবীতে এবং সংখ্যালঘুদের প্রাণের দাবী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুন:প্রতিষ্ঠা এবং একটি সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবীতে এক অবস্থান কর্মসুচী পালন করে।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের এ্যাড.বিধান বিহারী গোস্বামীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সভাপতি এ্যাড.দীনবন্ধু ,প্রধান সমন্বয়কারী বিজয়কৃষ্ণ ভট্রাচার্জ,মহাসচিব এ্যাড.গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক,মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এ্যাড.প্রদিভা বাগচী.যুগ্ন মহাসচিব এ্যাড.লাকি বাছাড়,নকুল মন্ডল,পল্টন দাস,আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক নরেশ হালদার,অর্থ সম্পাদক দীলিপ মন্ডল,দপ্তর সম্পাদক তাপস হালদার,যুব বিষয়ক সম্পাদক কিশোর কুমার বর্মন।


হিন্দু যুব মহাজোট এর সভাপতি প্রদীপ শংকর,নির্বাহী সভাপতি গৌতম সরকার অপু,সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি:মৃনাল কান্তি মধু,প্রধান সমন্বয়কারী প্রশান্ত হালদার,সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস বিশ্বাস,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সুজন গাইন।

হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল,সাধারণ সম্পাদক সজিব কুন্ডু,মলয় কুমার রাহুল,রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী শ্রী মনিরাম চন্দ্র রায়,হিন্দু সেচ্ছাসেবক মহাজোটের সভাপতি গৌরাঙ্গ মন্ডল,সাধারন সম্পাদক তুলন চন্দ্র পাল,সাংগঠনিক সম্পাদক চয়ন বাড়ৈ,ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সাধারন সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ প্রর্মখ।

বক্তাগন বলেন স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের হিন্দু সম্প্রদায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করলেও স্বাধীনতার সুফল আজও ভোগ করতে পারেনি।স্বাধীনতার পরপরই সরকার মৃত শত্রু সম্পত্তি আইন ভিন্ন নামে পূর্নবহাল করে এদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৬ লক্ষ  একর সম্পত্তি দখল করা হয়েছে।১৯৭৩ সালের ১৩মে রমনা কালী মন্দির বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়।এরপর ১৯৯১ সালে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা এবং বর্তমান সরকারের সময় চট্রগ্রামের রাউজান,ফটিকছড়ি,যশোরের অভয়নগর,কুমিল্লা,ব্রাম্মণবাড়ীয়া,খুলনা,নোয়াখালী,চাঁদপুর,হাতিয়া,ঢাকার খিলগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন সহযোগীতায় ব্যপকভাবে হামলা ভাংচুর লুঠপাঠ অগ্নি সংযোগ,জমি দখল,ধর্ষণ,হত্যাসহ দেশত্যাদে বাধ্যকরনের ঘটনা ঘটছে ।অথচ সরকার কোন ঘটনারই বিচার করে নাই। কোন অপরাধী শাস্তি পায় না।ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের জমি জমা দখল,দেশত্যাগের হুমকি মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাড়িঁয়েছে।এমনকি সরকার বিচার করতেও আগ্রহী নয়। আসামীদের মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার করে শাস্তি দাবী করেন।ধর্ম  অবমাননার অযুহাতে শত শত হিন্দু যুবককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে আটক রাখা হয়েছে। মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অযুহাতে গ্রেফতারকৃত সকলের মুক্তির দাবী বক্তারা দাবী করেন । বক্তাগন সংখ্যালঘু সমস্যার স্থায়ী সম্ধান কল্পে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ:প্রবর্তন ও একটি সংখ্যালঘু  বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবী করেন। বক্তাগন জোর দাবী জানান যে সনাতন সম্প্রদায়ের সবথেকে বড় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজায় ৩ দিনের সরকারী ভাবে ছুটি ঘোষনা করতে হবে,হিন্দু স্বার্থ পরিপন্থি কোনো আইন ব্যবস্থা করা চলবে না । সকল দেবদখলকৃত মন্দির ও দেবোত্তর সম্পত্তি পুন:রুদ্ধার এবং উন্নয়ন করতে হবে। বক্তারা আরোও দাবী করেন সরকারী চাকুরীতে ২০% সংখ্যালঘু কৌটা ব্যবস্থা করা সহ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বগুড়ায় জেলা হিন্দু মহাজোটের শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন

বগুড়া সদর উপজেলায় সদস্য সংগ্রহ চলছে...............

বগুড়া জেলা হিন্দু যুব মহাজোট কর্তৃক রামনবমীর আয়োজনে ব্যস্থ নেতৃবৃন্দ............